1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. atau@janatarjagoron.com : Mohammed Ataullah : Mohammed Ataullah
  4. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  5. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  6. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  7. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  8. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  10. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  11. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
সমালোচনার মাঝেই ঝড়ো সাফল্য, ১৮ দিনে বিলিয়ন ডলারে অ্যাভাটার - Janatar Jagoron
  • E-paper
  • English Version
  • শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:১৬ অপরাহ্ন

শিরোনাম
জামালপুরে ইউনিয়ন মাল্টি-স্টেকহোল্ডার প্লাটফর্মের পুষ্টি কর্মপরিকল্পনা মূল্যায়ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন পাঁচ ধাপে চায় বিএনপি ক্যাডেট এএসআই নিয়োগে ভুয়া পরীক্ষার্থীসহ চারজন গ্রেপ্তার জামালপুর সদর উপজেলা বিএনপির যৌথসভা অনুষ্ঠিত ইরানি সেনাবাহিনীর কঠোর জবাবের অঙ্গীকার, চুক্তিতে নতুন শর্ত সাহাবুদ্দিন চুপ্পুসহ ২০ জনের বিরুদ্ধে ২৫১ কোটি টাকার শেয়ার মামলা বিএনপি নিয়ে জামায়াতের মন্তব্যে মির্জা ফখরুলের প্রতিক্রিয়া সাহাবুদ্দিনকে গ্রেপ্তারের দাবি জানাল এনসিপি রাষ্ট্রপতি অবসর সুবিধা কী পাবেন মো. সাহাবুদ্দিন মশার কয়েল জ্বালাতে বিস্ফোরণে দগ্ধ পোশাকশ্রমিক দম্পতি

সমালোচনার মাঝেই ঝড়ো সাফল্য, ১৮ দিনে বিলিয়ন ডলারে অ্যাভাটার

  • সর্বশেষ আপডেট: বুধবার, ৭ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ২৮৩ বার পঠিত
অ্যাভাটার

জেমস ক্যামেরন ও ‘অ্যাভাটার’—এই দুই নাম মানেই সিনেমাপ্রেমীদের কাছে এক ধরনের বিস্ময় ও আবেগ। যার সূচনা হয়েছিল ২০০৯ সালে মুক্তি পাওয়া প্রথম ‘অ্যাভাটার’ দিয়ে। সেই ধারাবাহিকতায় সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত ‘অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’ ঘিরেও প্রত্যাশা ছিল তুঙ্গে। মুক্তির পর নানা সমালোচনা শুরু হলেও বক্স অফিসে ছবিটির আয় থেমে থাকেনি, বরং প্রতিদিনই বাড়ছে দ্রুতগতিতে।

বিশ্বব্যাপী মুক্তির মাত্র ১৮ দিনের মধ্যেই ১ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক স্পর্শ করেছে ‘অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’। সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, ছবিটির মোট আয় দাঁড়িয়েছে ১ দশমিক শূন্য ৮৩ বিলিয়ন ডলার। এর মধ্যে উত্তর আমেরিকার বাজার থেকে এসেছে ৩০৬ মিলিয়ন ডলার এবং আন্তর্জাতিক বাজারে আয় হয়েছে ৭৭৭ দশমিক ১ মিলিয়ন ডলার।

এটি ‘অ্যাভাটার’ ফ্র্যাঞ্চাইজির তৃতীয় সিনেমা। ২০২২ সালে মুক্তি পাওয়া ‘অ্যাভাটার: দ্য ওয়ে অব ওয়াটার’ মাত্র ১৪ দিনেই এক বিলিয়ন ডলারের ক্লাবে প্রবেশ করেছিল। আর ২০০৯ সালের প্রথম ‘অ্যাভাটার’ এই কীর্তি গড়েছিল ১৭ দিনের মাথায়।

আগের দুটি ছবিই দীর্ঘ সময় ধরে প্রেক্ষাগৃহে দাপট দেখিয়েছিল। টানা সাত সপ্তাহ বক্স অফিসের শীর্ষে অবস্থান করে তারা শেষ পর্যন্ত সিনেমা ইতিহাসের সর্বোচ্চ আয় করা ছবির তালিকায় জায়গা করে নেয়। প্রথম ‘অ্যাভাটার’ আয় করেছিল প্রায় ২ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলার, আর এর সিকুয়েল ‘দ্য ওয়ে অব ওয়াটার’ আয় করে ২ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার।

‘অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’ কি শেষ পর্যন্ত ২ বিলিয়ন ডলারের সীমা অতিক্রম করতে পারবে—এ প্রশ্ন এখনো খোলা। এই লক্ষ্য পূরণ অনেকটাই নির্ভর করছে আন্তর্জাতিক দর্শকের সাড়া কতটা শক্তিশালী থাকে তার ওপর। কারণ, আগের দুটি ছবির বিশাল সাফল্যের পেছনে বড় ভূমিকা ছিল বিদেশি বাজারের দর্শকদের।

উল্লেখযোগ্যভাবে, প্রথম ‘অ্যাভাটার’ শুধু আন্তর্জাতিক বাজার থেকেই আয় করেছিল ২ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলার। আর ‘দ্য ওয়ে অব ওয়াটার’ বিদেশি বাজার থেকে তুলে আনে ১ দশমিক ৬৫ বিলিয়ন ডলার। ‘অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’ ২০২৫ সালে ডিজনির তৃতীয় ছবি হিসেবে এক বিলিয়ন ডলারের বেশি আয় করেছে। এর আগে একই বছরে এই মাইলফলক স্পর্শ করেছিল ‘লিলো অ্যান্ড স্টিচ’ এবং ‘জুটোপিয়া ২’।

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..